বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন চরিত্র ও তার স্রষ্টাVarious Characters Of Bengali LiteraturePart—1
প্রশ্ন:- ঘনাদা চরিত্রটির স্রষ্টা কে ?
উঃ — প্রমেন্দ্র মিত্র।
প্রশ্ন:- শংকর ও অ্যালভারেস চরিত্র দুটির স্রষ্টা কে ?
উঃ— বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (চাঁদের পাহাড়)।
প্রশ্ন:- টেনিদা চরিত্রটির স্রষ্টা কে ?
উঃ— নারায়ন গঙ্গোপাধ্যায়।
প্রশ্ন:- ব্যোমক্যাশ বক্সী চরিত্রটির স্রষ্টা কে ?
উঃ— শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রশ্ন:- ফেলুদা চরিত্রটির স্রষ্টা কে ?
উঃ— সত্যজিৎ রায়।
প্রশ্ন:- প্রফেসর শঙ্কু চরিত্রটির স্রষ্টা কে ?
উঃ— সত্যজিৎ রায়।
প্রশ্ন:-অমল চরিত্রটির স্রষ্টা নাট্যকার কে ?
উঃ— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (ডাকঘর)।
প্রশ্ন:-ঠকচাচা নামক চরিত্রের স্রষ্টা কে ?
উঃ— প্যারীচাঁদ মিত্র (আলালের ঘরের দুলাল)।
প্রশ্ন:-রোহিনী চরিত্রটি কোন উপন্যাসের ?
উঃ— কৃষ্ণকান্তের উইল।
প্রশ্ন:-চাঁদ সওদাগর বাংলা কোন কাব্য ধারার চরিত্র ?
উঃ— মনসামঙ্গল কাব্য।
প্রশ্ন:- রাজলক্ষ্মী চরিত্রটির স্রষ্টা কে ?
উঃ— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (শ্রীকান্ত)।
প্রশ্ন:-অমিত ও লাবন্য চরিত্র গুলির স্রষ্টা কে ?
উঃ— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (শেষের কবিতা)।
প্রশ্ন:-ললিতা চরিত্রটির স্রষ্টা কে ?
উঃ— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (গোরা)।
প্রশ্ন:-ললিতা ও শেখর চরিত্রটির স্রষ্টা কে ?
উঃ— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (পরিনীতা)।
প্রশ্ন:-রতন ও দাদাবাবু চরিত্রটির স্রষ্টা কে ?
উঃ— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (পোষ্ট মাস্টার)।
প্রশ্ন:-হেমাঙ্গিনী ও কাদম্বিনী চরিত্রটির স্রষ্টা কে ?
উঃ— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (মেজদিদি)।
প্রশ্ন:-কুবের চরিত্রটির স্রষ্টা কে ?
উঃ— মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (পদ্মানদীর মাঝি)।
প্রশ্ন:-মহিম,সুরেশ ও অচলা চরিত্রটির স্রষ্টা কে ?
উঃ— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (গৃহদাহ)।
প্রশ্ন:-দীপাঙ্কর (দীপু),সতী,লক্ষ্মী চরিত্রটির স্রষ্টা কে?
উঃ— বিমল মিত্র (কড়ি দিয়ে কিনলাম)।
প্রশ্ন:- দীপাবলী চরিত্রটির স্রষ্টা কে ?
উঃ— সমরেশ মজুমদার (দীপাবলী)।
প্রশ্ন:-রমা ও রমেশ চরিত্রটির স্রষ্টা কে ?
উঃ— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (পল্লী সমাজ)।
প্রশ্ন:-ষোড়শী ও নির্মল চরিত্রটির স্রষ্টা কে ?
উঃ— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (দেনা-পাওনা)।
প্রশ্ন:- সতীশ ও সাবেত্রী চরিত্রটির স্রষ্টা কে ?
উঃ— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (চরিত্রহীন)।
প্রশ্ন:-নবকুমার কপালকুন্ডলা চরিত্রটির স্রষ্টা কে ?
উঃ— বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (কপালকুন্ডলা)।
প্রশ্ন:- নবীন মাধব চরিত্রের স্রষ্টা কে ?
উঃ— দীনবন্ধু মিত্র (নীল দর্পণ)।
প্রশ্ন:-ঘটিরাম ডেপুটি ও নিমচাঁদ চরিত্রটির স্রষ্টা কে ?
উঃ— দীনবন্ধু মিত্র (সধবার একাদশী)।
প্রশ্ন:-নন্দলাল চরিত্রটির স্রষ্টা কে?
উঃ— অমৃতলাল বসু (বিবাহ-বিভ্রাট)।
প্রশ্ন:- অপু ও দুর্গা চরিত্র দুটির স্রষ্টা কে ?
উঃ — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রশ্ন:-দেবযানী চরিত্রের স্রষ্টা কে ?
উঃ— অমৃতলাল বসু (বিদায়-অভিশাপ)।
প্রশ্ন:-নন্দিনী চরিত্রের স্রষ্টা কে ?
উঃ— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (রক্তকরবী)।
প্রশ্ন:-রাইচরণ চরিত্রের স্রষ্টা কে ?
উঃ— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন)।
প্রশ্ন:-মৃন্ময়ী ও অপূর্ব চরিত্রগুলির স্রষ্টা কে ?
উঃ— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (সমাপ্তি)।
প্রশ্ন:-সুরবালা চরিত্রের স্রষ্টা কে ?
উঃ— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (একরাত্রী)।
প্রশ্ন:-দুখিরাম ও চন্দরা চরিত্রগুলির স্রষ্টা কে ?
উঃ— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (শাস্তি)।
প্রশ্ন:-পার্বতী ও চন্দ্রমূখী চরিত্রগুলির স্রষ্টা কে ?
উঃ— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (দেবদাস)।
প্রশ্ন:- কালকেতু, ফুল্লরা ও ভাড়ুদত্ত চরিত্রগুলির স্রষ্টা কে ?
উঃ— মুকুন্দ চক্রবর্তী (চণ্ডীমঙ্গল কাব্য)।
Tuesday
বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন চরিত্র ও তার স্রষ্টা | Various Characters Of Bengali Literature | বিখ্যাত চরিত্র ও স্রষ্টা
Friday
কবি ও সাহিত্যিকদের উৎসর্গীকৃত রচনা | উৎসর্গীকৃত রচনা | লেখকদের উৎসর্গীকৃত রচনা | বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস
কবি ও সাহিত্যিকদের উৎসর্গীকৃত রচনা
কবি ও সাহিত্যিকদের উৎসর্গীকৃত রচনা নিয়ে কিছু প্রশ্নোত্তর ——
১. অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত তার ‘টুটাফুটা’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর: প্রেমেন্দ্র মিত্রকে।
২. অন্নদাশঙ্কর রায় তার ‘দেশকালপাত্র’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়কে।
৩. অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত তার ‘যৌবন বাউল’ রচনা টি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—ইন্দিরা দেবী চৌধুরানীকে।
৪. আনন্দ বাগচী তার ‘স্বগত সন্ধ্যা’ রচনা টি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—বুদ্ধদেব বসুকে।
৫. উৎপল দত্ত তার ‘ফেরারী ফৌজ’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—কল্পনা দত্তকে।
৬. কমলকুমার মজুমদার তার ‘অন্তর্জলী যাত্রা’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—দয়াময়ী মজুমদারকে।
৭. গোপাল হালদার তার ‘আর একদিন’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—সুকান্ত ভট্টাচার্যকে।
৮. গজেন্দ্রকুমার মিত্র তার ‘জন্মেছি এই দেশে’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—সবিতেন্দ্রনাথ রায়কে।
৯. জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী তার ‘বনানীর প্রেম’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—বিমল করকে।
১০. জীবনানন্দ দাশ তার‘ ধূসর পাণ্ডুলিপি’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর: —বুদ্ধদেব বসুকে।
১১. জরাসন্ধ তার ‘চলতি মেঘের ছায়া’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—গজেন্দ্রকুমার মিত্রকে ।
১২. জয় গোস্বামী তার ‘সূর্য পোড়া ছাই’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—সাগরময় ঘোষকে।
১৩. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তার ‘নীলকণ্ঠ’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—সুভাষচন্দ্র বসুকে।
১৪. দেবেন্দ্রনাথ সেন তার ‘গোলাপগুচ্ছ’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর: —রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে।
১৫. নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় তার ‘বীতংস’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—মনোজ বসুকে।
১৬. নবীনচন্দ্র সেন তার ‘পলাশীর যুদ্ধ’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:— ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে।
১৭. নরেন্দ্রনাথ মিত্র তার ‘হলদেবাড়ি’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:— নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়কে।
১৮. প্রমথনাথ বিশী তার ‘ঋণং কৃত্বা’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রকে।
১৯. প্রমথনাথ বিশী তার ‘কেরী সাহেবের মুন্সি’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—দেবেশচন্দ্র রায়
২০. বিমল মিত্র তার ‘নফর সঙ্কীর্তন’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—রামপরায়ণ রায়কে।
২১. বিষ্ণু দে তার ‘চোরাবালি’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—রবীন্দ্রনারায়ণ ঘোষকে।
২২. বুদ্ধদেব বসু তার ‘দময়ন্তী’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—সমর সেন
২৩. বনফুল তার ‘অগ্নীশ্বর’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়
২৪. বনফুল তার ‘হাটেবাজারে’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—শ্রীমতী পুতুলকে ।
২৫. মোহিতলাল মজুমদার তার ‘বিস্মরণী’ রচনা টি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
২৬. মনোজ বসু তার ‘নিশিকুটুম্ব’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—রামলাল বসুকে।
২৭. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় তার ‘কর্মদেবী’ রচনাটি কাকে উৎসর্গ করে ছিলেন ?
উত্তর:—রাজেন্দ্রলাল মিত্রকে।
Thursday
বাংলা সাহিত্যে প্রথম | Bangla Sahitye Prothom | বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস
বাংলা সাহিত্যে প্রথম
১. বাংলা সাহিত্যে প্রথম অক্ষর খোদাইকারী কে ?
উত্তর:—পঞ্চানন কর্মকার।
২. বাংলা সাহিত্যে প্রথম যতি চিহ্ন ব্যবহারকারী কে ?
উত্তর:— ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ।
৩. কে, কোথায় ছাপার হরফের প্রথম ব্যবহার করেন ?
উত্তর:—হালহেড সাহেব, ‘A Grammar of the Bengal Laguage’-এ।
৪. বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ কোনটি ?
উত্তর:— ‘Vocabulario em Idioma e bengalla e potuguez’.
৫. বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ কোনটি ?
উত্তর:—রাজাবলি।
৬. বাঙালির লেখা প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ কোনটি ?
উত্তর:—রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র।
৭. বাংলায় লেখা সংস্কৃত সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ কোনটি ?
উত্তর:— সংস্কৃত ভাষা ও সংস্কৃত সাহিত্যশাস্ত্র বিষয়ক প্রস্তাব।
৮. বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাটক কোনটি ?
উত্তর:—কীর্তিবিলাস।
৯. বাংলায় লেখা প্রথম কমেডি রচনা কোনটি ?
উত্তর:—ভদ্রার্জুন।
১০. বাংলায় লেখা প্রথম সার্থক ট্রাজেডি কোনটি ?
উত্তর:—কৃষ্ণকুমারী।
১১. বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাট্যকার কে ?
উত্তর:—মাইকেল মধুসূদন। দত্ত।
১২. বাংলার প্রথম একাঙ্ক নাট্যকার কে ?
উত্তর:— মন্মথ রায়।
১৩. বাংলা ভাষায় প্রথম সনেট রচয়িতা কে ?
উত্তর:—মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
১৪. বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলমান নাট্যকার কে ?
উত্তর:— মীর মোশারেফ হোসেন।
১৫. বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক গীতিকবি কে ?
উত্তর:—বিহারীলাল চক্রবর্তী।
১৬. চলিত রীতির প্রথম ব্যবহারকারী কে ?
উত্তর:—প্রমথ চৌধুরী।
১৭. বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক কে ?
উত্তর:—বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
১৮. বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম প্রণয়োপাখ্যান কোনটি ?
উত্তর:—ইউসুফ জোলেখা।
১৯. বাংলা সাহিত্যে প্রথম অমিত্রাক্ষরের প্রয়োগ—পদ্মাবতী নাটক।
২০. বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক কে ?
উত্তর:—স্বর্ণকুমারী দেবী।
২১. বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িক পত্র কোনটি ?
উত্তর:—দিগ্দর্শন।
২২. বাংলা সাহিত্যে প্রথম ছোটোগল্প কোনটি ?
উত্তর:—মধুমতী।
২৩. আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি কে ? উত্তর:—মানকুমারী বসু।
২৪. বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক সংবাদপত্র কোনটি ?
উত্তর:—সংবাদ প্রভাকর।
২৫. বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস কোনটি ?
উত্তর:—দুর্গেশনন্দিনী ।
২৬. বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য কোনটি ?
উত্তর:—বীরাঙ্গনা
২৭. বাংলা সাহিত্যে প্রথম রবীন্দ্র পুরষ্কার প্রাপক কে ?
উত্তর:—সতীনাথ ভাদুড়ী।
২৮. বাংলা সাহিত্যে প্রথম বঙ্কিম পুরস্কার প্রাপক কে ?
উত্তর:—প্রবোধচন্দ্র সেন ।
২৯. বাংলা সাহিত্যে প্রথম সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার প্রাপক কে ?
উত্তর:—জীবনানন্দ দাশ।
৩০. বাংলা সাহিত্যে প্রথম জ্ঞানপীঠ পুরস্কার প্রাপক কে ?
উত্তর:—তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়।
৩১. বাংলা সাহিত্যে প্রথম দীনবন্ধু পুরস্কার প্রাপক কে ?
উত্তর:—মন্মথ রায় ।
৩২. বাংলা সাহিত্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার প্রাপককে ?
উত্তর:—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৩৩. বিদেশি ভাষায় অনূদিত প্রথম বাংলা নাটক কে ?
উত্তর —নীলদর্পণ।
আরো পড়ুন—
Comming soon
👉
👉
👉
👉
👉
👉
👉
👉
Wednesday
রবীন্দ্র রচনার উৎসর্গ তালিকা | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনার উৎসর্গ তালিকা | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনার উৎসর্গ তালিকা
১. চিত্রাঙ্গদা— অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২. রাজা ও রাণী— দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩. বিসর্জন —সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুর
৪. খাপছাড়া— রাজশেখর বসু
৫. কড়ি ও কোমল — সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর
৬. সোনার তরী— দেবেন্দ্রনাথ সেন
৭. পঞ্চভুত— মহারাজ শ্রী জগদিন্দ্রনাথ রায় বাহাদুর
৮. গোরা— রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৯. খেয়া— জগদীশচন্দ্র বসু
১০. কাহিনী— ত্রিপুরেশ্বর রাধাকিশোর দেবমাণিক্য
১১. গোড়ায় গলদ— প্রিয়নাথ সেন
১২. কথা ও কাহিনি— জগদীশচন্দ্র বসু
১৩. কল্পনা— শ্রীশ চন্দ্র মজুমদার
১৪. নৈবেদ্য— দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৫. উৎসর্গ— সি এফ এন্ড্রুজ
১৬. কণিকা— প্রমথ রায়
১৭. বলাকা— উইলিয়াম পিয়ারসন
১৮. অচলায়তন— যদুনাথ সরকার
১৯. সে— চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য
২০. বসন্ত— নজরুল ইসলাম
২১. শ্যামলী— শ্রীমতী রাণী মহলানবিশ
২২. জাপান যাত্রী— রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়
২৩. রাশিয়ার চিঠি— সুরেন্দ্রনাথ কর
২৪. য়ুরোপ প্রবাসীর পত্র— জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর
২৫. সেঁজুতি— স্যার নীলরতন সরকার
২৬. রথের রশি— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২৭. ছন্দ— দিলীপকুমার রায়
২৮. পত্রপূট— কৃষ্ণ কৃপালনী ও নন্দিতা
২৯. আরোগ্য— সুরেন্দ্রনাথ কর
৩০. দুই বোন— রাজশেখর বসু
আরো পড়ুন —
👉 কবি ও সাহিত্যিকদের আত্মপ্রকাশ
👉 সমোচ্চারিত শব্দ বা প্রায় সমোচ্চারিত শব্দ
👉 বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (BANGLA SAHITYER ITIHAS)
Tuesday
কবি ও সাহিত্যিকদের আত্মপ্রকাশ | লেখকদের আত্ম প্রকাশ | বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস
কবি ও সাহিত্যিকদের আত্মপ্রকাশ
১. অখিল নিয়োগী কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:— শিশুসাথী পত্রিকায়।
২. অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—প্রবাসী পত্রিকায় ।
৩. অন্নদাশঙ্কর রায় কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—বিচিত্রা পত্রিকায় ।
৪. মনোজ বসু কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর: —বিচিত্রা পত্রিকায়
৫. রাজশেখর বসু কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—ভারতবর্ষ পত্রিকায়
৬. রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর: —নবজীবন পত্রিকায়।
৭. লীলা মজুমদার কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—সন্দেশ পত্রিকায়।
৮. শক্তি চট্টোপাধ্যায় কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—কবিতা পত্রিকায় ।
৯. শঙ্খ ঘোষ কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—কৃত্তিবাস পত্রিকায়।
১০. শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—নটরাজ পত্রিকায়।
১১. শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—দেশ পত্রিকায়।
১২. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—ভারতী (কিন্তু সুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় নামে ‘যমুনা পত্রিকায়)
১৩. সুকুমার রায় কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—সন্দেশ পত্রিকায়।
১৪. সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:— ভ্রমর পত্রিকায়।
১৫.. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—সাহিত্য পত্রিকায়।
১৬. সতীনাথ ভাদুড়ি কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—বিচিত্রা পত্রিকায়।
১৭. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—প্রবাসী পত্রিকায়।
১৮. সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—মঙ্গল ঊষা পত্রিকায়।
১৯. অমিয় চক্রবর্তী কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—বিচিত্রা পত্রিকায়।
২০. অমিয়ভূষণ মজুমদার কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—পূর্বাশা পত্রিকায়।
২১. অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:— দৈনিক বসুমতী পত্রিকায়।
২২. আশাপূর্ণা দেবী কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—শিশুসাথী পত্রিকায়।
২৩. কাজী নজরুল ইসলাম কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:— সওগাত পত্রিকায়।
২৪. কবিতা সিংহ কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—নেশন পত্রিকায়।
২৫. জগদানন্দ রায় কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—ভারতী পত্রিকায়।
২৬. জগদীশ গুপ্ত কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—বিজলি পত্রিকায়।
২৭. অক্ষয় কুমার সরকার কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:— বঙ্গদর্শন পত্রিকায়।
২৮. জীবনানন্দ দাশ কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—ব্রহ্মবাদী পত্রিকায়।
২৯. জলধর সেন কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—গ্রামবার্তা পত্রিকায়।
৩০. যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—প্রবাসী পত্রিকায়।
৩১. যতীন্দ্রমোহন বাগচী কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:— সাহিত্য পত্রিকায়।
৩২. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—কল্লোল পত্রিকায়।
৩৩. নবীনচন্দ্র সেন কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—এডুকেশন গেজেট পত্রিকায়।
৩৪. অক্ষয়কুমার বড়াল কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:— ভারতী পত্রিকায়।
৩৫. নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—নারায়ণ পত্রিকায়।
৩৬. প্রেমেন্দ্র মিত্র কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—প্রবাসী পত্রিকায়।
৩৭. প্রমথ চৌধুরী কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—সাধনা পত্রিকায়।
৩৮. ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায় কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—নবপর্যায় বঙ্গদর্শন পত্রিকায়।
৩৯. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—সংবাদ প্রভাকর পত্রিকায়।
৪০. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—প্রবাসী পত্রিকায়।
৪১. বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:— বঙ্গশ্রী পত্রিকায়।
৪২. বিমল কর কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—প্রবর্তক পত্রিকায়।
৪৩. বিহারীলাল চক্রবর্তী কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—পূর্ণিমা পত্রিকায়।
৪৪. বনফুল কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:— মালঞ্চ পত্রিকায়।
৪৫. বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—বালক পত্রিকায়।
৪৬. মাইকেল মধুসূদন দত্ত কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—মাদ্রাজ সার্কুলেটর পত্রিকায়।
৪৭. মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায় কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—বিচিত্রা পত্রিকায়।
৪৮. মানকুমারী বসু কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—সংবাদ প্রভাকর পত্রিকায়।
৩৪. মণীন্দ্র রায় কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—পরিচয় পত্রিকায়
৩৫. মতি নন্দী কোন পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ করেন ?
উত্তর:—দেশ পত্রিকায়।
আরো পরুন ——
👉 বিখ্যাত সাহিত্যিকদের উপাধি
👉 ছদ্মনাম
Sunday
বিখ্যাত সাহিত্যিকদের উপাধি | মনীষীদের উপাধি | Upadhi | বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস
১. বিশ্বকবি — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২. বিদ্রোহী কবি— কাজী নজরুল ইসলাম
৩. স্বভাব কবি — গোবিন্দ দাস
৪. আদি কবি—কৃত্তিবাস ওঝা
৫. মহাকবি—কালিদাস
৬. চারণকবি—মুকুন্দদাস
৭. সাহিত্য সম্রাট — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৮. বাংলার মোপাসাঁ—প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়
৯. বিজ্ঞান সরস্বতী—জগদীশচন্দ্র বসু
১০. পণ্ডিত সার্বভৌম — বৃহস্পতি মিশ্র
১১. নট গুরু — গিরিশচন্দ্র ঘোষ
১২. নাট্যাচার্য — শিশিরকুমার ভাদুড়ী
১৩. মহর্ষি—দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৪. স্বামীজি—নরেন্দ্রনাথ দত্ত
১৫. ব্রহ্মানন্দ — কেশবচন্দ্র সেন
১৬. জাতীয় কবি — কাশীরাম ও কৃত্তিবাস
১৭. কান্তকবি—রজনীকান্ত সেন
১৮. দেহবাদী কবি — মোহিতলাল মজুমদার
১৯. গুপ্ত কবি — ঈশ্বর গুপ্ত
২০. রূপসী কবি— জীবনানন্দ দাশ
২১. কাস্তে কবি — দিনেশ দাস
২২. কিশোর কবি — সুকান্ত ভট্টাচার্য
২৩. পল্লী কবি — জসীমউদ্দীন ও কুমুদ রঞ্জন মল্লিক
২৪. কবি শেখর — কালিদাস রায়
২৫. প্রকৃতির কবি — অক্ষয়কুমার বড়াল
২৬. কবীন্দ্র —পরমেশ্বর দাস
২৭. কবিরঞ্জন — রামপ্রসাদ সেন
২৮. ভাগবতার্য — রঘুনাথ রায়
২৯. কবিরত্ন — ঘনরাম চক্রবর্তী
৩০. দ্বিতীয় বিদ্যাপতি —গোবিন্দদাস
৩১. চৈতন্য লীলার ব্যাস — বৃন্দাবন দাস
৩২. শাকর মল্লিক — সনাতন গোস্বামী
৩৩. দবীর খাস — রূপ গোস্বামী
৩৪. গুণরাজ খাঁ — মালাধর বসু
৩৫. রায়গুণাকর — ভারতচন্দ্র রায়
৩৬. মৈথিলী কোকিল — বিদ্যাপতি
৩৭. কথাশিল্পী — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৩৮. সাহিত্যাচার্য — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৩৯. কবিকঙ্কন — মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
৪০. বাংলার মিল্টন — হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
৪১. খাঁটি বাঙালি কবি — ঈশ্বর গুপ্ত
৪২. ভোরের পাখি — বিহারীলাল চক্রবর্তী
৪৩. হাবিলদার কবি — নজরুল ইসলাম
৪৪. অভিনব জয়দেব — বিদ্যাপতি
৪৫.ছন্দের জাদুকর — সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
৪৬. ভারতের শেক্সপিয়ার — কালিদাস
৪৭. ভাষাচার্য — সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
৪৮. জ্ঞানের জাহাজ — রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
৪৯. সাহিত্য সম্রাট — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৫০. জাতীয়তার দীক্ষাগুরু — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৫১. গদ্যের জনক — ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
৫২. শিল্পগুরু — অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৫৩. ভারত পথিক — রামমোহন রায়
৫৪. বিজ্ঞানাচার্য — জগদীশচন্দ্র বসু
৫৫. পূর্ববঙ্গের বিদ্যাসাগর — কালীপ্রসন্ন ঘোষ
৫৬. প্রাশ্চাত্যের মিল্টন — মাইকেল মধুসূদন দত্ত
৫৭. কবিগুরু — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Friday
বাংলা ভাষার জন্ম
প্রাচীন ইন্দো-ইউরোপীয়দের আদি বাসভূমি ছিল মধ্য ইউরোপে। ৩০০০ খ্রীষ্ট পূর্বাব্দের কাছাকাছি সময়ে ইন্দোইউরোপীয় জাতি ইউরেসিয়ার তাদের ভূখণ্ড এই ভাষার সৃষ্টি করেছিল বলে অনুমান করা হয়। ক্রমশ এই জাতির লোকেরা বিভিন্ন গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন উপভাষার সৃষ্টি করে।
প্রত্ন-ইন্দো-ইউরোপীয়—(১) কেন্তুম গুচ্ছ, (২) সতম গুচ্ছ
(১) কেন্তুম গুচ্ছ : গ্রীক, তুখারীয়, জার্মানিক, ইতালিক, ক্লেতিক, হিটি। (২) সতম গুচ্ছ: আর্মেনীয়, আলবানীয়, বালতো স্নাবিক, ইন্দোইরানীয়।
ইন্দো-ইরানীয় ভাষাবংশ
ভারতীয় ও ইরানীয় ভাষার প্রাচীন নিদর্শন গুলোকে কেন্দ্র করে এই ভাষাগুলো গোষ্ঠীবদ্ধ করা হয়েছে। এই ভাষাবংশকে আর্য ভাষা বলে। আর্যরা ভারতে আসার আগে এই ভাষা বংশ তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়।
ইন্দো-ইরানীয় (আর্য) : (১) ইরানীয় আর্য, (২) দরদিক আর্য (৩) ভারতীয় আর্য
ইরানীয় আর্য : পারসী, আবেস্তীয়, সিদীয়, পূর্ব-ইরানীয়।
ভারতীয় আর্য ভাষাবংশ
খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে এই ভাষার সৃষ্টি হয়। এই ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন হল বেদ।
ভারতীয় আর্যভাষা : (১) কথ্য উপভাষা (খ্রি.পূর্ব,১২০০-৭০০) (২) সংস্কৃত (খ্রি. পূর্ব পঞ্চম শতক)
অনেকে বলেন সংস্কৃত ভাষা বাংলা ভাষার জননী। সংস্কৃতের সঙ্গে বাংলার নিবিড় সম্পর্ক থাকার কারণে তাঁরা এই ধরণের সিদ্ধান্ত করে থাকেন। কিন্তু সংস্কৃত কখনও কথ্য ভাষা ছিল না। অপরদিকে বাংলার সঙ্গে সম্পর্ক কথ্যভাষার। মহম্মদশাহীদুল্লাহ বলেছেন, গৌড়ীয় অপভ্রংশ থেকে বাংলা জন্মগ্রহণ করেছে, সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, 'মাগধী অপভ্রংশ থেকে বাংলা ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। আমরাও বিশ্বাস করি 'মাগধী অপভ্রংশই বাংলা ভাষার জননী সংস্কৃত নয়।
ভারতীয় আর্যভাষা— (১) কথ্য উপভাষা, (২) সংস্কৃত
কথ্য উপভাষা : উদীচ্য, প্রতীচ্য, মধ্যদেশীয়, প্রাচ্য, দক্ষিণাত্য।
প্রাচ্য : অর্ধমাগধী, মাগধী।
মাগধী : মাগধী অপভ্রংশ
মাগধী অপভ্রংশ : ভোজপুরিয়া, মোগহী, মৈথিলী, ওড়িয়া, বঙ্গ-অসমিয়া ।
বঙ্গ অসমিয়া : বাংলা, অসমিয়া।
THANKS
মনসামঙ্গল কাব্য একনজরে | Manasa Mangal Kabya | বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস
বাংলা সাহিত্যে মনসামঙ্গল কাব্য
পশ্চিমবঙ্গ SSC, SLST পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নোত্তর:--
একনজরে ‘মনসামঙ্গল কাব্য’
১. মঙ্গলকাব্য কী ?
উত্তর: বিভিন্ন দেব-দেবীর মাহাত্ম্যকীর্তন সম্বন্ধীয় আখ্যানকাব্যগুলি মঙ্গলকাব্য নামে পরিচিত। এই দেব-দেবীর অধিকাংশই আর্যপরিমণ্ডলের নন, বাংলার গ্রাম্য পরিবেশে ও সমাজে এঁদের আবির্ভাব ও প্রতিষ্ঠা। তাই এঁরা লৌকিক ও অপৌরাণিক গ্রামীণ আদর্শ থেকে উদ্ভূত।
২. উত্তরবঙ্গের দুইজন মনসামঙ্গল রচয়িতার নাম লেখো।
উত্তর: তন্ত্র বিভূতি ও জগজ্জীবন ঘোষাল।
৩. রাঢ়বঙ্গের চারজন বিখ্যাত মনসামঙ্গল রচয়িতার নাম লেখো।
উত্তর: বিপ্রদাস পিপিলাই, কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ, সীতারাম দাস ও রসিক মিশ্র।
৪. পূর্ববঙ্গের দুইজন মনসামঙ্গল রচয়িতার নাম লেখো।
উত্তর: নারায়ণ দেব ও বিজয়গুপ্ত।
৫. পঞ্চদশ শতকের তিনজন মনসামঙ্গল রচয়িতার নাম লেখ।
উঃ বিজয়গুপ্ত, নারায়ণ দেব ও বিপ্রদাস পিপিলাই।
৬. সপ্তদশ শতকের চারজন মনসামঙ্গল রচয়িতার নাম লেখ।
উত্তর: দ্বিজ বংশীদাস, কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ, তন্ত্রবিভূতি ও জগজ্জীবন ঘোষাল।
৭. অষ্টাদশ শতকের চারজন মনসামঙ্গল রচয়িতার নাম লেখ।
উত্তর: জীবনকৃষ্ণ মৈত্র, দ্বিজ রসিক, রামজীবন বিদ্যাভূষণ, বাণেশ্বর রায়।
৮. ঊনবিংশ শতকের চারজন মনসামঙ্গল রচয়িতার নাম লেখ।
উত্তর: যশোরের দ্বিজ কালীপ্রসন্ন, জগমোহন মিত্র, বৈদ্য হরিদাস, সিলেটের রাধানাথ রায় প্রভৃতি।
৯. মনসমঙ্গল কাব্যের আদি কবির নাম কী ?
উঃ কানা হরিদত্ত।
১০. মনসার ভয়ে চাঁদসদাগর কোথায় লোহার বাসরঘর তৈরি করেছিল ?
উঃ সাঁতালি পর্বতে।
১১. মনসামঙ্গল কাব্যের বেহুলা – লখীন্দর আসলে স্বর্গের কোন দেব-দেবী ?
উত্তর: ঊষা ও অনিরুদ্ধ
১২. বিজয়গুপ্তের জন্মস্থান কোথায় ?
উত্তর: বরিশাল জেলার গৈলা (অধুনা ফুল্লশ্রী) গ্রামে।
১৩. বিজয়গুপ্তের পিতা ও মাতার নাম কী ?
উত্তর: পিতার নাম সনাতন ও মাতা রুক্মিণী ।
১৪. বিজয়গুপ্তের কাব্যের নাম কী ?
উত্তর: ‘পদ্মাপুরাণ’ ।
১৫. বিজয়গুপ্তের কাব্য কবে কোথা থেকে প্রথম মুদ্রিত হয়?
উত্তর: বরিশাল থেকে ১৩০৩ সালে প্রথম মুদ্রিত হয়।
১৬. বিজয়গুপ্তের কাব্য কবে রচিত হয় ?
উত্তর: আনুমানিক ১৪৯৪ খ্রীষ্টাব্দে।
১৭. বিপ্রদাস পিপিলাই রচিত মনসামঙ্গল কাব্যের নাম কী ?
উত্তর: ‘মনসাবিজয়’।
১৮. বিপ্রদাস পিপিলাইয়ের জন্মস্থান কোথায় ?
উত্তর: বসিরহাটের কাছে বাদুড়িয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯. বিপ্রদাস পিপিলাইয়ের পিতার নাম কী ?
উত্তর: মুকুন্দ।
২০. বিপ্রদাস পিপিলাই কবে কাব্য রচনা সমাপ্ত করেন ?
উত্তর: ১৪৯৫ খ্রীষ্টাব্দে।
২১. দ্বিজ বংশীদাস রচিত মনসামঙ্গল কাব্যটির নাম কী ? কাব্যটি কবে সর্বপ্রথম মুদ্রিত হয়?
উঃ ‘পদ্মাপুরাণ‘। ১৩১৮ বঙ্গাব্দে কাব্যটি প্রথম মুদ্রিত হয় ।
২২. দ্বিজ বংশীদাসের পিতা ও মাতার নাম কী?
উত্তর: পিতা যাদবানন্দ ও মাতা অঞ্জনা।
২৩. কোন কবির রচিত মনসামঙ্গল সর্বপ্রথম মুদ্রণ সৌভাগ্য লাভ করে ?
উত্তর: কেতকাদাস ক্ষেমানন্দের।
২৪. কেতকাদাস ক্ষেমানন্দের রচিত মনসামঙ্গল কাব্য কবে প্রথম মুদ্রিত হয় ?
উত্তর: ১৮৪৪ খ্রীষ্টাব্দে।
২৫. কেতকাদাস ক্ষেমানন্দের পিতার নাম কী? তিনি কার অধীনে চাকরি করতেন ?
উত্তর: পিতার নাম শঙ্কর। তিনি বারা খাঁর অধীনে চাকরি করতেন।
২৬. জগজ্জীবন ঘোষালের পিতা ও মাতার নাম কী?
উত্তর: পিতার নাম রূপ ও মাতার নাম রেবতী।
২৭. বসন্ত রোগ থেকে মুক্তি পাবার জন্য কোন দেবীর পুজো করা হয় ?
উত্তর: শীতলা দেবী।
২৮. বাঘের হাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য সুন্দরবনে কোন দেবতার পুজো করা হয় ?
উত্তর: দক্ষিণ রায়।
২৯. ষোড়শ শতকের তিনজন চণ্ডীমঙ্গল কাব্য রচয়িতার নাম লেখো।
উঃ মাণিক দত্ত, কবিকঙ্কণ মুকুন্দ চক্রবর্তী এবং মাধব আচার্য।
৩০. সপ্তদশ শতকের দুইজন চণ্ডীমঙ্গল কাব্য রচয়িতার নাম লেখো।
উঃ কৃষ্ণরাম রায় ও দ্বিজ হরিরাম।
👉 বাংলা ছদ্মনাম ( বাংলা সাহিত্য)
Thursday
এক নজরে বৈষ্ণব পদাবলী :
১. পদাবলী শব্দটি প্রথম কে কোথায় ব্যবহার করেন?
উত্তর: জয়দেব, তাঁর গীতগোবিন্দ কাব্যে।
২. বিদ্যাপতি কার কাছ থেকে ‘অভিনব জয়দেব’ উপাধি লাভ করেছিলেন?
উত্তর: রাজা শিবসিংহের কাছ থেকে।
৩. ‘দ্বিতীয় বিদ্যাপতি’ নামে কে পরিচিত ?
উঃ গোবিন্দদাসকে।
৪. কে, কত সালে কোথায় প্রথম বিদ্যাপতির পদ উল্লেখ করেন ?
উঃ ১৮৫৮-৫৯ খ্রীষ্টাব্দে রাজেন্দ্রলাল মিত্র ‘বঙ্গভাষার উৎপত্তি’ নামক প্রবন্ধে।
৫. কে, কত সালে কোন প্রবন্ধে বিদ্যাপতির প্রকৃত পরিচয় উদ্ঘটন করেন? প্রবন্ধটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল?
উঃ ১৮৭৫ খ্রীষ্টাব্দে রাজকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকায়।
৬. বিদ্যাপতির জন্মস্থান কোথায়?
উঃ বিহারের দ্বারভাঙা জেলার মধুবনী পরগণার বিসফী গ্রামে।
৭. “An introduction to the Maithili Language of North Bihar” নামক গ্রন্থটি কার লেখা, গ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
উঃ গ্রীয়ার্সন সাহেবের লেখা, ১৮৮১ খ্রীষ্টাব্দে প্রকাশিত হয় ।
৮. An introduction to the Maithili Language of North bihar গ্রন্থে বিদ্যাপতির কতগুলি পদ সংকলিত আছে?
উত্তর: ৮২ টি।
৯. বিদ্যাপতির পিতার নাম কী?
উত্তর: গণপতি ঠাকুর।
১০. বিদ্যাপতি কয়জন রাজা ও কয়জন রাণীর পৃষ্টপোষকতা লাভ করেছিলেন? তাঁদের নাম কী?
উত্তর: ছয়জন রাজা (শিবসিংহ, কীর্তিসিংহ, দেব সিংহ, পদ্ম সিংহ, পুরাদিত্য, ভৈরব সিংহ ) এবং একজন রাণীর(বিশ্বাস দেবী) পৃষ্টপোষকতা লাভ করেন ।
১১. বৈষ্ণব পদাবলী ছাড়া বিদ্যাপতি আর কী কী গ্রন্থ রচনা করেছিলেন? প্রকাশসাল উল্লেখ করে গ্রন্থগুলির নাম লেখো ।
উত্তর: ক) ভূপরিক্রমা- ১৪০০ খ্রীষ্টাব্দ
খ) কীর্তিলতা –১৪০২-১৪০৪ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যে
গ) পুরুষ পরীক্ষা -১৪১০ খ্রীষ্টাব্দ
ঘ) কীর্তিপতাকা – ১৪১০ খ্রীষ্টাব্দ
ঙ) লিখনাবলী – ১৪১৮ খ্রীষ্টাব্দ
চ) শৈবসর্বস্বহার – ১৪৩০-৪০ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যে
ছ) গঙ্গাবাক্যাবলী – ১৪৩০-৪০ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যে
জ) বিভাগসার – ১৪৪০-৬০ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যে
ঝ) দানবাক্যাবলী – ১৪৪০-৬০ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যে
ঞ) দুর্গাভক্তিতরঙ্গিনী – ১৪৪০-৬০ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যে।
১২. মিথিলা থেকে নৈমিষারণ্য পর্যন্ত ভূভাগের বর্ণনা বিদ্যাপতি কোন গ্রন্থে আছে?
উত্তর: ‘ভূপরিক্রমা’ গ্রন্থে।
১৩. অবহট্টঠ ভাষায় লেখা বিদ্যাপতির দুটি গ্রন্থের নাম লেখ?
উত্তর: ‘কীর্তিলতা’ ও ‘কীর্তিপতাকা’।
১৪. বিদ্যাপতির ‘পুরুষ পরীক্ষা’ গ্রন্থটি কোন ভাষায় রচিত?
উত্তর: সংস্কৃত ভাষায়।
১৫. বিদ্যাপতির ‘লিখনাবলী’ কী জাতীয় রচনা?
উত্তর: পত্র রচনার রীতি সম্বলিত গ্রন্থ।
১৬. ‘পাঁচশত বৎসরের পদাবলী’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তর: ডঃ বিমানবিহারী মজুমদার।
১৭. ‘উজ্জ্বলনীলমণি’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তর: রূপ গোস্বামী।
১৮. বঙ্গভাষা ও সাহিত্য গ্রন্থটির রচয়িতা কে ?
উত্তর: দীনেশচন্দ্র সেন।
১৯. শ্রীচৈতন্যের সমসাময়িক চারজন বৈষ্ণব পদকর্তার নাম লেখ ।
উত্তর: নরহরি সরকার, গোবিন্দ ঘোষ, মাধব ঘোষ, বাসুদেব ঘোষ
২০. গোবিন্দ ঘোষ গৌরাঙ্গবিষয়ক কটি পদ রচনা করেছেন?
উত্তর: ১৭ টি পদ।
২১. ‘ভক্তিরত্নাকর’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তর: নরহরি চক্তবর্তী।
২২. ‘ভক্তিরসামৃতসিন্ধু’ গ্রন্থটি কে কত খ্রীষ্টাব্দে রচনা করেন? গ্রন্থটিতে মোট কত শ্লোক আছে? গ্রন্থটি কটি বিভাগে বিভক্ত কী কী ? প্রত্যেকটি বিভাগের নাম লেখো।
উত্তর: ১৫৪১ খ্রীষ্টাব্দে রূপ গোস্বামী রচনা করেন? গ্রন্থটিত ২১৪১টি শ্লোক আছে। চারটি ভাগে বিভক্ত যথা পূর্ব, দক্ষিণ, পশ্চিম ও উত্তর।
২৩ বৈষ্ণব মতে মুখ্যরস ও গৌণরস কটি ও কী কী?
উত্তর: মুখ্যরস পাঁচটি- শান্ত,দাস্য, সখ্য, বাৎসল্য, মধুর।
গৌণরস সাতটি – হাস্য, অদ্ভুত, বীর, রৌদ্র, করুণ, ভয়ানক ও বীভৎস।
২৪. জ্ঞানদাস কত খ্রীষ্টাব্দে কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: ১৫৩০ খ্রীষ্টাব্দে কাটোয়ার কাছে কাঁদরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
২৫. ‘দানকেলি কৌমুদী’ নাটকের রচয়িতা কে?
উত্তর: শ্রীরূপ গোস্বামী।
২৬. অভিসার শব্দের অর্থ কী ?
উত্তর: সংকেত স্থানে গমন।
২৭. পূর্বরাগ কাকে বলে?
উঃ শ্রীরূপ গোস্বামী তাঁর ‘উজ্জ্বলনীলমণি’ গ্রন্থে সংজ্ঞা দিয়েছেন-
“রতির্যা সংগমাৎ পূর্বং দর্শনশ্রবণাদিজা।
তয়োরুন্মীলতি প্রাজ্ঞৈ পূর্বরাগ স উচ্যতে।।”
অর্থাৎ প্রকৃত মিলনের আগে নায়ক-নায়িকার পারস্পরিক দর্শন প্রভৃতি থেকে জাত মিলনেচ্ছায়ময় রতি উপযুক্ত সঞ্চারীভাব ও অনুভাবের দ্বারা পুষ্ট হয়ে প্রকাশ পেলে তাকে পূর্বরাগ বলা হয়।
২৮. পূর্বরাগ কয় প্রকার , কী কী?
উত্তর: দুই প্রকার। দর্শনজাত পূর্বরাগ ও শ্রবণজাত পূর্বরাগ।
দর্শনজাত পূর্বরাগ আবার তিন প্রকার – সাক্ষাৎ দর্শন, চিত্রপটে দর্শন, স্বপ্নে দর্শন।
শ্রবণজাত পূর্বরাগ আবার পাঁচ প্রকার – দূতীমুখে শ্রবণ, বন্দিমুখে শ্রবণ, সখীমুখে শ্রবণ, গুণীজনের মুখে শ্রবণ, ব্রাহ্মণের মুখে শ্রবণ
২৯. পূর্বরাগ পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ কবি কে?
উত্তর: চণ্ডীদাস।
৩০. অনুরাগ কাকে বলে?
উত্তর: শ্রীরূপ গোস্বামী তাঁর ‘উজ্জ্বলনীলমণি’ গ্রন্থে সংজ্ঞা দিয়েছেন-
“সদানুভূতমপি যঃ কূর্যান্নবনং প্রিয়ম্।
রাগো ভবন্নবনমঃ সোহনুরাগ ইতীর্যতে।।”
অর্থাৎ যে রাগ নিত্য নব নবায়মান হয়ে সর্বদা অনুভূত প্রিয়জনকেও নতুন নতুনভাবে অনুভব করিয়ে প্রতি মুহূর্তেই প্রেমকে নবীনতা দান করে, তাকেই অনুরাগ বলা হয়।
Friday
এক নজরে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য | Sri Krishna Kirtan Kabya | বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
১. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি কত খ্রিস্টাব্দে আবিষ্কার হয় ?
উত্তর : ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে।
২. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের পুঁথিটি কে আবিষ্কার করেন ?
উত্তর : বসন্ত রঞ্জন রায়।
৩. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যেটি কার গোয়াল ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছিল ?
উত্তর : দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের।
৪. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি কার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ?
উত্তর : বসন্ত রঞ্জন রায়ের সম্পাদনায়।
৫. ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে ?
উত্তর: ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে।
৬. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি কোথা থেকে মুদ্রিত আকারে প্রকাশিত হয় ?
উত্তর : বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে।
৭. কাব্যটির রচয়িতা কে ?
উত্তর : বড়ু চন্ডীদাস।
৮. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে বড়ু চন্ডীদাস ভনিতা কতবার ব্যবহৃত হয়েছে ?
উত্তর : ২৯৮ বার।
৯. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে শুধু চন্ডীদাস ভনিতা কতবার ব্যবহৃত হয়েছে ?
উত্তর: ১০৭ বার।
১০. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে অনন্ত বা আনন্ত চন্ডীদাস ভনিতাটি কতবার ব্যবহৃত হয়েছে ?
উত্তর: ৫ বার ।
১১. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের খন্ডিত পদের সংখ্যা কয়টি ?
উত্তর: ১৫ টি ।
১২. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে কতগুলি পদে ভনিতা পাওয়া যায়নী ?
উত্তর: ৮ টি।
১৩. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের সম্পূর্ণ খণ্ড সংখ্যা কয়টি ?
উত্তর : ১০ টি।
১৪. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের সর্বমোট পদ সংখ্যা কয়টি ?
উত্তর: ৪১৮ টি।
১৫. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে ব্যবহৃত সংস্কৃত শ্লোক সংখ্যা কয়টি ?
উত্তর: ১৬১ টি।
১৬. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে কতগুলি সংস্কৃত শ্লোক একাধিকবার ব্যবহৃত হয়েছে ?
উত্তর: ১৮ টি।
১৭. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে ব্যবহৃত কতগুলি রাগরাগিণীর উল্লেখ আছে ?
উত্তর : ৩২ টি।
১৮. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের ক্ষুদ্রতম খন্ড কোনটি ?
উত্তর : জন্ম খণ্ড।
১৯. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের বৃহত্তম খন্ড কোনটি ?
উত্তর: দান খণ্ড।
২০. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে ‘তাম্বুল’ খণ্ডের পদ সংখ্যা কয়টি ?
উত্তর : ২৬ টি।
২১. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে দান খণ্ডের পদ সংখ্যা কয়টি ?
উত্তর : ১১২ টি।
২২. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে ‘জন্ম’ খণ্ডের পদ সংখ্যা কয়টি ?
উত্তর : ৯ টি।
২৩. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে ‘নৌকা’ খণ্ডের পদ সংখ্যা কয়টি ?
উত্তর : ৩০ টি।
২৪. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে ‘বৃন্দাবন’ খণ্ডের পদ সংখ্যা কয়টি ?
উত্তর : ৩০ টি।
২৫. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে ‘ভার’ খণ্ডের পদ সংখ্যা কয়টি ?
উত্তর : ৩৭ টি।
২৬. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে ‘যমুনা’ খণ্ডের পদ সংখ্যা কয়টি ?
উত্তর : ৩৭ টি।
২৭. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে ‘বান’ খণ্ডের পদ সংখ্যা কয়টি ?
উত্তর : ৩৭ টি।
২৮. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের ‘রাধাবিরহ’ খণ্ডের পদ সংখ্যা কয়টি ?
উত্তর : ৬৯ টি।
২৯. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে ‘বংশী’ খণ্ডের পদ সংখ্যা কয়টি ?
উত্তর : ৪১ টি।
৩০. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের কোন খণ্ডের নিজস্ব পদ নেই ?
উত্তর : যমুনা ।
৩১. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মূল কাহিনীর সূত্রপাত কোন ঋতুতে ?
উত্তর: বসন্ত ঋতুতে।
৩২. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের সমাপ্তি হয় কোন ঋতুতে ?
উত্তর : শরৎ ঋতুতে।
৩৩. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের কাহিনী বিস্তারের সময় কত ?
উত্তর : আড়াই বছর।
৩৪. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে যে চিরকুটটি পাওয়া গিয়েছিল তাতে কী নাম লেখা ছিল ?
উত্তর: শ্রীকৃষ্ণ সন্দর্ভ ।
৩৫. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে শ্রীকৃষ্ণের জননীর নাম কী ?
উত্তর : দেবকী।
৩৬. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের শ্রীকৃষ্ণের পিতার নাম কী ?
উত্তর : বসুদেব।
৩৭. শ্রীকৃষ্ণ সন্দর্ভ গ্রন্থটির রচয়িতা কে ?
উত্তর : শ্রীজীব গোস্বামী।
৩৮. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রাধা মায়ের নাম কী ?
উত্তর : পদুয়া।
৩৯. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে রাধার পিতার নাম কী ?
উত্তর : সাগর।
৪০. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রাধার শাশুড়ির নাম কী ?
উত্তর: জটিলতা।
৪২. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে রাধার স্বামীর নাম কী ?
উত্তর : অভিমন্যু।
৪৩. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রাধার শ্বশুরের নাম কী ?
উত্তর : গোল।
৪৪. কালীয়দমন কালে জলমগ্ন অচৈতন্য কৃষ্ণকে চেতনা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন কে ?
উত্তর : বলভদ্র।
Monday
ছদ্মনাম | Pseudonym | বাংলা সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম | বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস
Sunday
চর্যাপদ || বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস
- চর্যাপদ আবিষ্কার : "চর্যাচর্যবিনিশ্চয়" এর অর্থ- কোনটি আচরণীয় আর কোনোটি নয়। চর্যাপদ মূলত সহজিয়া বৌদ্ধদের ধর্মাবলম্বীদের সাহিত্য । মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে তৃতীয় বার লেপালে যাওয়ার পর তিনি নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের প্রকাশ : মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে (১৩২৩ বঙ্গাব্দে) কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে "হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষার বৌদ্ধগান ও দোহা" নামে প্রকাশ করেন।
- চর্যাপদের সংখ্যা : চর্যাপদের মোট সংখ্যা ৫১ টি । উদ্ধারকৃত পদের সংখ্যা সাড়ে ৪৬ টি। খন্ডিত আকারে পাওয়া যায় ২৩ নম্বর পদটি। ২৪,২৫ ও ৪৮ নম্বর পদগুলি পাওয়া যায়নি । প্রাপ্তির তালিকা এগোনো হয়নি ১১নং পদটি (কারণ টীকা ভাষ্য নেই)।
- চর্যাপদের কবি সংখ্যা : আবিষ্কৃত পুঁথিটিতে ৫০টি চর্যায় মোট ২৩ জন ( মতান্তরে ২৪ জন) সিদ্ধাচার্যের নাম পাওয়া যায়।সহীদুল্লাহ সম্পর্কিত Buddhist Mystic(১৯৬০)গ্রন্থে ২৩জন কবির নাম উল্লেখ করেছেন। কিন্তু সুকুমার সেনের "বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস" (প্রথম খণ্ডে) ২৪ জন কবির নাম উল্লেখ করেছেন। এরা হলেন: লুই, কুক্কুরী, বিরুআ, গুণ্ডরী, চাটিল, ভুসুকু, কাহ্ন, কাম্বলাম্বর, ডোম্বী, শান্তি, মহিত্তা, বীণা, সরহ, শবর, আজদেব, ঢেণ্ঢণ, দারিক, ভাদে, তাড়ক, কঙ্কণ, জঅনন্দি, ধাম, তান্তী পা, লাড়ীডোম্বী। এঁদের মধ্যে লাড়ীডোম্বীর পদটি পাওয়া যায়নি। ২৪, ২৫ ও ৪৮ সংখ্যক পদগুলি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কৃত পুঁথিতে না থাকলেও ডক্টর প্রবোধচন্দ্র বাগচী আবিষ্কৃত তিব্বতি অনুবাদে এগুলির রচয়িতার নাম উল্লিখিত হয়েছে যথাক্রমে কাহ্ন, তান্তী পা ও কুক্কুরী। এই নামগুলির অধিকাংশই তাঁদের ছদ্মনাম এবং ভনিতার শেষে তাঁরা নামের সঙ্গে 'পা' (<পদ) শব্দটি সম্ভ্রমবাচক অর্থে ব্যবহার করতেন।
- কবি পরিচয় :
চঞ্চল চীও পইঠা কাল।।"
২) কাহ্নপাদ:- চর্যার পুঁথিতে সর্বাধিক সংখ্যক পদের রচয়িতা কাহ্ন বা কাহ্নপাদ। ওড়িশার এক ব্রাহ্মণ বংশে জন্মগ্রহণ করেন বলে জানা যায়। শৌরসেনী অপভ্রংশ ও মাগধী অপভ্রংশজাত বাংলায় তিনি পদ রচনা করতেন। তিনি কৃষ্ণাচার্য, কৃষ্ণপাদ ও কৃষ্ণবজ্র নামেও পরিচিত। পুঁথিতে তাঁর মোট ১৩ টি পদ (পদ – ৭, ৯, ১১, ১২, ১৮, ১৯, ২৪, ৩৬, ৪০, ৪২ ও ৪৫) পাওয়া যায় কিন্তু তাঁর লিখিত ২৪ নং পদটি পাওয়া যায়নি।
৩) ভুসুকুপাদ:- ভুসুকুপা চর্যাপদের পদ রচয়িতার দিক থেকে দ্বিতীয় । তিনি পদ রচনা করেন ৮ টি (পদ – ৬, ২১, ২৩, ২৭, ৩০, ৪১, ৪৩, ৪৯)। তিনি নিজেকে বাঙালি বলে দাবি করেন। যে উক্তিটির মাধ্যমে নিজেকে বাঙালি বলে দাবি করেন সেটি হল:- "আজি ভুসুকু বাঙালি ভইলি"।
৪) সরহপাদ:- চারটি (পদ – ২২, ৩২, ৩৮, ৩৯),
৫) কুক্কুরীপাদ:- কুক্কুরীপাকে মহিলা কবি মনে করা হয়। তিনি তিনটি (পদ – ২, ২০, ৪৮) রচনা করেন।
৬) শান্তিপাদ:- দুটি (পদ – ১৫ ও ২৬) রচনা করেন।
৭) শবরপাদ:- চর্যাপদের শ্রেষ্ঠ কবি। ড. শহীদুল্লাহর মতে তিনি চর্যাপদের প্রাচীন কবি। তিনি দুইটি পদ (পদ – ২৮ ও ৫০) রচনা করেন।
একটি করে পদ রচনা করেন—
৮) বিরুআ (পদ ৩),
৯) গুণ্ডরী (পদ ৪),
১০) চাটিল (পদ ৫),
১১) কম্বলাম্বরপাদ (পদ ৮),
১২) ডোম্বীপাদ (পদ ১৪),
১৩) মহিণ্ডা (পদ ১৬),
১৪) বীণাপাদ (পদ ১৭),
১৫) আজদেব (পদ ৩১),
১৬) ঢেণ্ঢণ (পদ ৩৩),
১৭) দারিক (পদ ৩৪),
১৮) ভদ্রপাদ (পদ ৩৫),
১৯) তাড়ক (পদ ৩৭),
২০) কঙ্কণ (পদ ৪৪),
২১) জঅনন্দি (পদ ৪৬),
২২) ধাম (পদ ৪৭) ও
২৩) তান্তী পা (পদ ২৫, মূল বিলুপ্ত)।
২৪) নাড়ীডোম্বীপাদের পদটি পাওয়া যায়নি।
- চর্যাপদের রচনাকাল : চর্যাপদের রচনাকাল সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতকে । চর্যাপদ রচনা শুরু হয় পাল বংশের আমলে ।কিন্তু চর্যাপদের রচনাকাল নিয়ে বিভিন্ন ভাষা তাত্ত্বিকদের মধ্যে বিভিন্ন মত পার্থক্য দেখা যায় । যেমন- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে চট্টোপাধ্যায়ের মতে ৯৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে। ড. শহীদুল্লাহর মতে ৬৫০ থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে। রাহুল সাংকৃত্যায়নের মতে অষ্টম থেকে একাদশ শতাব্দীর মধ্যে চর্যাপদ গুলি রচিত হয়।
- চর্যাপদের ভাষা : চর্যাপদ রচিত হয় মাত্রাবৃত্ত ছন্দে । এর ভাষা নিয়ে প্রথম আলোচনা করেন বিজয়চন্দ্র মজুমদার ১৯২০ সালে। চর্যাপদের প্রথম ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করেন ডঃ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দে। চর্যাপদ রচিত ভাষা --"সান্ধ্য বা আলো-আঁধারির ভাষা"। ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের ভাষা --'বঙ্গ কামরূপী'।চর্যাপদে পাঁচটি ভাষার সংমিশ্রন রয়েছে। সেই ভাষা গুলি হল :- 'বাংলা', 'হিন্দি' ,'মৈথিলী', 'অসমীয়া' ও 'উড়িয়া'।
- চর্যাপদ অন্যান্য ভাষায় প্রকাশ প্রকাশ : চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র । চর্যাপদের তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ প্রকাশ করেন ডঃ. প্রবোধচন্দ্র বাগচী, ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দে। চর্যাপদ মূলত- গানের সংকলন।
- চর্যাপদ ব্যাবহারিত প্রবাদ : চর্যাপদের প্রবাদ বাক্য পাওয়া গেছে ছটি। দুটি বিখ্যাত প্রবাদ বাক্য হল:-
২) দুহিলা দুধ কি বেন্টে সামায়।
আরো পড়ুন —
.png)

.png)
.png)
.png)
.png)
.png)



.png)

