Showing posts with label নবম শ্রেণির সাহিত্য সঞ্চয়ণ. Show all posts
Showing posts with label নবম শ্রেণির সাহিত্য সঞ্চয়ণ. Show all posts

Friday

ইলিয়াস | প্রশ্ন ও উত্তরে ইলিয়াস | ILYAS | সাহিত্য সঞ্চয়ন | নবম শ্রেণির সাহিত্য সঞ্চয়ন | SLST Bengali

July 21, 2023 0

ইলিয়াস  
লিও তলস্তয় (১৮২৮-১৯১০)

প্রশ্নোত্তরে ইলিয়াস —

১। 'ইলিয়াস' গল্পটির তরজমাকে করেছেন?

উত্তর: লিও তলস্তয় রচিত 'ইলিয়াস' গল্পের বাংলা তরজমা করেছেন মণীন্দ্র দত্ত।

২। ইলিয়াস' গল্পটির উ্ৎস কী ?

উত্তর:  Twenty three tales। 

৩। লিও তলস্তয় কোন্ ভাষায় সাহিত্য রচনা করেছেন?

 উত্তর: রুশ।

৪। লিও তলস্তয়ের জন্ম কোথায় হয়েছিল? 

উত্তর: রাশিয়ার ইয়াসিনা পলিয়ানা।

৫। লিও তলস্তয়ের পুরো নাম কী?

উত্তর: কাউন্ট লেও নিকোলায়েভিচ্ তলস্তয়। 

৬। ইলিয়াসের বাসস্থান কোথায় ছিল?

উত্তর: উফা প্রদেশে।

৭। ইলিয়াস কোন্ প্রজাতির মানুষ?

উত্তর: বাসকির।

৮। ইলিয়াসের বাবা কখন মারা যান?

উত্তর: ইলিয়াসের বিবাহের এক বছর পর।

৯। সদ্য পিতৃহারা ইলিয়াসের সম্পত্তি কী কী ছিল? উত্তর: সাতটি ঘোটকী, দুটি গরু ও কুড়িটি ভেড়া।

১০। ইলিয়াসের অবস্থার উন্নতির মূলে কী ছিল?

উত্তর: ইলিয়াস ও তার স্ত্রীর অক্লান্ত পরিশ্রম।

১১। ইলিয়াসের স্ত্রীর নাম কী?

উত্তর: শাম-শেমাগি।

১২। কত বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে দরিদ্র ইলিয়াস ধনী হয়েছিল? 

উত্তর: ৩০ বছর।

১০। ধনী ইলিয়াসের কী কী সম্পত্তি ছিল?

 উত্তর: দুশো ঘোড়া, দেড়শো গরু-মোষ ও বারোশো ভেড়া।

১৪। ইলিয়াস কী কী দ্রব্য উৎপাদন করত?

উত্তর: দুধ, কুমিস, মাখন ও পনির অর্থাৎ দুগ্ধজাত দ্রব্য।

 ১৫। ইলিয়াস কীভাবে অতিথিদের সেবা করত ?

উত্তর: বিভিন্ন প্রকার ভোজ্য ও পানীয় অর্থাৎ কুমিস, চা, শরবত ও মাংস সহযোগে।

১৬। ইলিয়াসের কয়টি সন্তান?

উত্তর: ইলিয়াসের ৩টি সন্তান। দুটি পুত্র ও একটি কন্যা।

 ১৭। ইলিয়াসের জ্যেষ্ঠ পুত্রের পরিণতি কী হয়েছিল?

উত্তর: মারামারি করতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছিল। 

১৮। ইলিয়াসের কনিষ্ঠ পুত্রের পরিণতি কী হয়েছিল ?

উত্তর: একটি ঝগড়টে বউ আনার পর ইলিয়াসের আদেশ করায় ইলিয়াস তাদের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল। 

১৯। ইলিয়াস তার কনিষ্ঠ পুত্রকে কী দিয়েছিল? 

উত্তর: একটি বাড়ি ও কিছু গোরু-ঘোড়া।

২০।  ইলিয়াসের অবস্থার পতনের কারণ কয়টি ও কী কী? উত্তর: ইলিয়াসের অবস্থার পতনের কারণ মূলত পাঁচটি, যথা- (ক) কনিষ্ঠ পুত্রকে সম্পত্তি প্রদান

(খ) ভেড়ার পালে মড়ক লাগা

(গ) দুর্ভিক্ষে গোরু-মোষের মৃত্যু

(ঘ) কিরবিজদের ঘোড়া চুরি

(চ) বার্ধ্যকের কারণে ও পূর্ববর্তী কারণে শারীরিক অবস্থার অবনতি।

২১। কত বছর বয়সে ইলিয়াস পুনরায় সম্পত্তি হারিয়ে দরিদ্র হয়ে যায়?

উত্তর: ৭০ বছর বয়সে। 

২২। ইলিয়াস কোন্ কোন্ জিনিসগুলি বাধ্য হয়ে বিক্রয় করে। উত্তর: পশমের কোট, কম্বল, ঘোড়ার জিন, তাঁবু এবং সবশেষে গৃহপালিত পশুগুলি।

 ২৩। সর্বহারা হয়ে ইলিয়াস কোন পেশা গ্রহণ করে।

উত্তর: অচেনা লোকের বাড়িতে কাজ করার পেশা।

২৪। সর্বহারা অবস্থায় ইলিয়াসের সম্বল কী ছিল? উত্তর: লোমের তৈরি কোট, টুপি, জুতো আর বুট রাখার একটি বোঁচকা ও বৃদ্ধা স্ত্রী শাম-শেমাগি। 

২৫। শেষ পর্যন্ত ইলিয়াস ও তার স্ত্রী কার গৃহে আশ্রয় পেয়েছিল?

উত্তর: মহম্মদ শা।

২৬। মহম্মদ শা-র বাড়িতে ইলিয়াস কী কাজে নিযুক্ত ছিল?

উত্তর: গ্রীষ্মে তরমুজের ক্ষেত্রে কাজ ও শীতকালে গোরু-ঘোড়াদের খাওয়ানো।

২৭। মহম্মদ শা-র বাড়িতে শাম-শেমাগি কী কাজে নিযুক্ত ছিল? 

উত্তর: ঘোটকীর দুধ দোহন করা ও কুমিস তৈরি করা।

২৮। মহম্মাদ শা কাজের বিনিময়ে ইলিয়াস ও তার স্ত্রীকে কী দিত? 

উত্তর: খাওয়া-পরা এবং অন্যান্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস।

২৯। মোল্লা-কে ছিলেন ?

উত্তর: মহম্মদ শা-র আত্মীয়।

৩০। মহম্মদ শা ইলিয়াসকে অতিথিসেবার জন্য কোন প্রাণী হত্যা করতে বলেছিল?

উত্তর: ভেড়া।

৩১। অতিথিরা ইলিয়াস ও তার স্ত্রী-র কাছে কী জানতে চেয়েছিল? 

উত্তর: সুখী ও দুঃখী জীবনের উপলব্ধি।

৩২। ইলিয়াস ও তার স্ত্রীর বিবাহিত জীবন কত বছরের?

উত্তর: প্যাশ।

৩৩। ইলিয়াস ও তার স্ত্রী জীবনের সব কিছু হারিয়ে কী পেয়েছিল?

 উত্তর: সত্যিকারের সুখ।

৩৪। ইলিয়াস ও তার স্ত্রী কেন সবকিছু হারিয়ে প্রকৃত সুখী হয়েছিল?

উত্তর: সম্পত্তির সঙ্গে বিভিন্ন প্রকার দুশ্চিন্তাও ছিল, তাই তখনই তারা প্রকৃত সুখী হল যখন দুশ্চিন্তা ও সম্পত্তি দুই-ই হারালো। 

৩৫। শেষ জীবনে ইলিয়াসদের একমাত্র কাজ কী ছিল?

উত্তর: প্রভুর সেবা করা।

৩৬। ঈশ্বর ইলিয়াসের কাছে কোন্ সত্যকে উন্মুক্ত করেছিল? 

উত্তর: অর্থ-সম্পদ-প্রতিপত্তি মানুষকে যতটুকু সুখ দেয় তার অধিক দুঃখ ও দুশ্চিন্তা দেয়। 

৩৭। মহম্মদ শা এবং তার অতিথিরা শাম-শেমাগিকে ও ইলিয়াসকে কী বলে সম্বোধন করেছিল?

উত্তর: ইলিয়াসকে 'বাবাই' ও তাঁর স্ত্রীকে 'ঠাকুমা' বলে সম্বোধন করেছিল।

৩৯। "ঘাড় নাড়তে নাড়তে বলল"-ঘাড় নেড়ে কে, কী বলল?

উত্তর: ঘাড় নেড়ে জনৈক অতিথি বলল-সত্যি ভাগ্য যেন চাকার মতো ঘোরে; একজন ওপরে ওঠে, আর অন্যজন তলায় পড়ে যায়।

৪০। "আহা, বলুন তো," বক্তা এ কথার সঙ্গে কী প্রশ্ন রেখেছিল?

উত্তর: বক্তা এ কথার সঙ্গে যে-প্রশ্নটি রেখেছিল, তা হল-বুড়ো লোকটি এখন নিশ্চয়ই খুব বিষণ্ণ।

৪১। "কী জানি," কথাটি বলে বস্তা আর কী বলল ? 

উত্তর: 'কী জানি' কথাটি বলে বক্তা মোহম্মদ শা বলল- সে খুব চুপচাপ আর শান্ত থাকে এবং কাজও ভালো করে।

৪২। "নিশ্চয়ই পারেন।"-কারা নিশ্চিতভাবে কী করতে পারেন বলে বক্তা জানিয়েছে?

উত্তর: মোহম্মদ শা'র বাড়িতে আসা অতিথিরা নিশ্চিতভাবে ইলিয়াসের সঙ্গে তার জীবন সম্পর্কে কিছু কথা জিজ্ঞাসা করতে পারে বলে বক্তা জানিয়েছে।

৪৩। "বাবাই, একবার এদিকে এসো তো।"-কে, কারে এভাবে ডাকল? বক্তা আর কী বলল?

উত্তর: মোহম্মদ শা-তার বাড়িতে কাজ করা ইলিয়াসকে 'বাবাই সম্বোধন করে ডাকল। বস্তা তাকে আরও বলল সে যেস বুড়িকেও নিয়ে আসে আর তাদের সঙ্গে কুমিস পান করে।

৪৪। "তোমার বুড়িকেও সঙ্গে নিয়ে এসো।"-বুড়িটি কে ?

উত্তর: বুড়িটি হল বৃদ্ধ ইলিয়াসের বয়স্কা স্ত্রী শাম-শেমাগি।

৪৫। অতিথিদের আগ্রহে আগত ইলিয়াস ও তার কোথায় বসল ?

উত্তর: অতিথিদের আগ্রহে আগত ইলিয়াস দরজার পাশে এক কোণে আর তার স্ত্রী পর্দার আড়ালে কর্ত্রীর পাশে বসল

৪৬। ইলিয়াসকে একবাটি কুমিস দিলে সে কী করল ?

উত্তর: ইলিয়াসকে একবাটি কুমিস দিলে সে অতিথিও গৃহস্বামীকে মাথা নীচু করে নমস্কার করল আর একটু খেয়ে বাকিটা নামিয়ে রাখল।

৪৭। "তার মনেও যা মুখেও তাই।"-কে, কার সম্পর্কে কথাটি বলেছে?

উত্তর: বৃদ্ধ ভাড়াটে মজুর ইলিয়াস তার স্ত্রী শাম-শেমাগির সম্পর্কে কথাটি বলেছে।

৪৮। "এ বিষয়ে তিনি পুরো সত্য বলতে পারবেন। —বক্তার এরকম মন্তব্যের কারণ কী?

উত্তর: বক্তা মনে করে মেয়েমানুষের মনেও যা, মুখেও তাই-তারা মিথ্যাচার করে না, সবসময় সত্যি কথা বলে-একারণেই সে এরকম মন্তব্য করেছে।

৪৯। "এ বিষয়ে তিনি পুরো সত্য বলতে পারবেন।"- কোন বিষয়ে কে পুরো সত্য বলতে পারবে?

উত্তর: মানবজীবনের সুখ ও দুঃখের বিষয়ে ইলিয়াসের বৃথ স্ত্রী শাম-শেমাগি পুরো সত্য বলতে পারবে।

৫০। "তোমার মনের কথাটা বলো তো।"-'মনের কথাটা বলে বক্তা আসলে কী জানতে চেয়েছে?

উত্তর: মনের কথাটি বলে বস্তা আসলে উদ্দিষ্ট ব্যক্তির আগেকা সুখ ও এখনকার দুঃখ সম্পর্কে জানতে চেয়েছে।

৫১। "এই হল আমার মনের কথা।"-বক্তার মনের কথা কী ?

উত্তর: বক্তার মনের কথা হল-বিগত পঞ্চাশ বছর সে অথ পেলেও সুখ পায়নি, কিন্তু ভাড়াটে মজুর হয়ে তারা সত্যিকারের সুখ পেয়েছে।

৫২। "তখন আমরা পেয়েছি সত্যিকারের সুখ"— কারা, কোন্ সময় সত্যিকারের সুখ পেয়েছে বলে জানিয়েছে?

উত্তর: ইলিয়াস ও তার স্ত্রী মোহম্মদ শা-র বাড়িতে ভাড়াট মজুরের মতো বেঁচে থাকা অবস্থায় সত্যিকারের সু পেয়েছে বলে জানিয়েছে। 

৫৩। "সে উঠে দাঁড়াল।"-'সে' কে? সে উঠে দাঁড়িয়ে কী করল ?

উত্তর: উদ্ধৃতাংশে সে হল গৃহস্বামী মোহম্মদ শা। সে উঠে দাঁড়িয়ে পর্দা সরিয়ে ইলিয়াসের স্ত্রীর দিকে তাকাল।

৫৪। "আমি সত্য কথাই বলছি,"-সত্য কথাটি কী ?

উত্তর: বক্তার কথা অনুযায়ী সত্য কথা হল-দীর্ঘ প্যাশ বছর ধরে তারা যে-সুখ খুঁজেছে ধনী অবস্থাতেও তা পায়নি। আজ ভাড়াটে মানুষের মতো বেঁচে থাকা অবস্থায় তারা তা পেয়েছে।

৫৫। "কখনও সুখ পাইনি"—কোন্ অবস্থার কথা বক্তা এখানে স্পষ্ট করেছে?

উত্তর: এখানে বস্তা তার ধনী থাকাকালীন মনের নিত্য-অশান্তি, দ্বিধা, সন্দেহ ইত্যাদির কথা স্পষ্ট করেছে।

৫৬। "কিন্তু আজ এমন সুখের সন্ধান আমরা পেয়েছি," —'আজ' বলতে বক্তা কোন্ সময়কে বুঝিয়েছে?

উত্তর: উদ্ধৃতিতে 'আজ' বলতে বক্তা শাম-শেমাগি মোহম্মদ শা-র ভাড়াটে মজুর হয়ে বেঁচে থাকার সময়কে বুঝিয়েছে।

৫৭। "এক মুহূর্তের জন্যও শান্তি ছিল না,"-কার, কখন শান্তি ছিল না?

উত্তর: ইলিয়াস ও তার স্ত্রী যখন ধনী ছিলেন তখন তাদের এক মুহূর্তের জন্যেও মনে শাস্তি ছিল না।

৫৮। "অতিথিরা এলেন-এক দুশ্চিন্তা,"-অতিথিরা এলে বক্তার কী নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিল?

উত্তর: অতিথিরা এলে বস্তার দুশ্চিন্তা ছিল তাঁদের কী খেতে দেবেন, কী উপহার দেবেন যাতে তারা বক্তার নিন্দা না করেন।

৫৯। প্রথম বার "সেও তো পাপ" বলার মধ্য দিয়ে কোন্ পাপের কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: ইলিয়াস ও শাম-শেমাগি তাদের নিজেদের স্বার্থের জন্য মজুরদের উপর নজর রাখার কাজকেই পাপ বলে উল্লেখ করেছে।

৬০। "কিন্তু ঘুমোবার উপায় নেই, মনে দুশ্চিন্তা," — দুশ্চিন্তার কারণ কী?

উত্তর: বক্তার রাতে দুশ্চিন্তা ছিল-ভেড়ি বুঝি তার ছানাগুলিকে মেরে ফেলে-একারণে তার ঘুমোবার উপায় ছিল না। 

৬১। "ফলে ঝগড়া।", কাদের, কীসে ঝগড়া হত?

উত্তর: বক্তা শাম-শেমাগি ও তার স্বামী ইলিয়াসের মধ্যে সাংসারিক কোনো বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হলেই ঝগড়া হত।

৬২। দ্বিতীয় বার "সেও তো পাপ" বলার মধ্য দিয়ে কোন্ পাপের কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: স্বামীর সঙ্গে মতাবিরোধের কারণে পরস্পরের মধ্যে ঝগড়া হওয়াকে শাম-শেমাগি পাপ বলে জানিয়েছে।

৬৩। "আর এখন ?"-এ কথার উত্তরে শাম-শেমাগি প্রথমে কী বলল?

উত্তর: উদ্ধৃত প্রশ্নের উত্তরে বৃদ্ধ শাম-শেমাগি প্রথমে বলল-"এখন বুড়ো আর আমি একসঙ্গে সকালে উঠি, দুটো সুখ-শান্তির কথা বলি।"

৬৪। "আমাদের একমাত্র কাজ,"-বক্তার একমাত্র কাজ কী ছিল?

উত্তর: বক্তার একমাত্র কাজ ছিল তাদের প্রভুর সেবা করা।

৬৫। "ভাববার মতো সময় আছে,"-কী ভাবার কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: নিজের জীবন ও ঈশ্বর সম্পর্কিত ধারণা, 

আত্মার কথা আলোচনা করা ও প্রার্থনা করার মতো বিষয় ভাবার কথা বলা হয়েছে।

৬৬। অবুঝ ইলিয়াস ও তার স্ত্রী কী করেছিল?

উত্তর: অবুঝ ইলিয়াস ও তার স্ত্রী তাদের সমস্ত সম্পত্তি হারিয়ে খুব কেঁদেছিল।

৬৭। "আপনাদের কল্যাণের জন্য।"-'আপনাদের' বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: উদ্ধৃতাংশে 'আপনাদের' বলতে মোহম্মদ শা-র বাড়িতে-আসা অতিথিদের বোঝানো হয়েছে।

৬৮। "তখন মোল্লা বললেন, "-মোল্লা সাহেব কী বললেন?

উত্তর: মোল্লা সাহেব বললেন-ইলিয়াস ও তার স্ত্রীর বলা কথাগুলি খুব জ্ঞানের এবং সত্যি। আর তা পবিত্র গ্রন্থে লেখা আছে।

৬৯। "এটা খুবই জ্ঞানের কথা।"-জ্ঞানের কথাটি কী?

উত্তর: জ্ঞানের কথাটি হল- জীবনে আত্মার কথা ভাবা, ঈশ্বরের কাছে নিজেকে সমর্পণ করে- প্রার্থনা জানিয়ে সখের সন্ধান করা। আর এটিই চরম সত্য।

৭০। "অথচ আজ তার কিছু নেই।"-বস্তা তার সম্পর্কে আর কী বলেছে ?

উত্তর: কিছু না-থাকা উদ্দিষ্ট ব্যক্তি ইলিয়াস সম্পর্কে বক্তা বলেছে লোকটি তার কাছে মজুরের মতো থাকে আর তার স্ত্রী ঘোটকীদের দুধ দোয়।


MULTIPLE CHOICE QUESTIONS —

১। 'ইলিয়াস' গল্পের লেখক—

ক। আন্তন চেকভ

খ। দস্তয়ভস্কি

গ। লিও তলস্তয়

ঘ। বার্নার্ডশ

২। 'ইলিয়াস' গল্পটি বাংলায় তরজমা করেছেন —

ক। অনিন্দ্য সৌরভ

খ। মনীন্দ্র দত্ত

গ। শঙ্খ ঘোষ

ঘ। মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

৩। ইলিয়াসের বাড়ি ছিল—

ক। উফা প্রদেশে

খ। গুফা প্রদেশে

গ। বাস্কির অঞ্চলে

ঘ। কাজাকাস্তানে

8। ইলিয়াসের বিয়ের এক বছর পর তার—

ক। মা মারা যায়

খ। বাবা মারা যায়

গ। দাদা মারা যায়

ঘ। স্ত্রী মারা যায়

৫। বাবার মৃত্যুর সময় ইলিয়াসের ঘোটকী ও ভেড়ার সংখ্যা ছিল—

ক। সাত ও দুটি

খ। ছয় ও বারোটি

গ। সাত ও চৌদ্দটি

ঘ। সাত ও কুড়িটি

৬। ইলিয়াসের সম্পত্তি বাড়তে লাগল তার—

ক। পরিশ্রমে

খ। সুব্যবস্থায়

গ। দক্ষতায়

ঘ। ভগবানের দয়ায়

৭। সে আর তার স্ত্রী কাজ করে—

ক। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত

ঘ। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত

গ। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত

ঘ। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত

৮। "সে প্রচুর সম্পত্তি করে ফেলল" —কত বছর পরিশ্রম করে ?

ক। সাঁইত্রিশ বছর পরিশ্রম করে

খ। পঁচিশ বছর পরিশ্রম করে

গ। ত্রিশ বছর পরিশ্রম করে

ঘ। পঁয়ত্রিশ বছর পরিশ্রম করে

৯। প্রচুর সম্পত্তির অধিকারী ইলিয়াসের গোরু-মোষের সংখ্যা—

ক। একশত

খ। দুইশত

গ। দেড়শত

ঘ। আড়াইশত

১০। ধনী ইলিয়াসের গোরু-ঘোড়ার দেখাশোনা করে—

ক। দিনমজুর

খ। কুলিকামিন

গ। ভাড়াটে মজুর

ঘ। ভাড়াটে মজুরানি

১১। "দুধ দোয়, কুমিস, মাখন আর পনির তৈরি করে—

ক। ভাড়াটে মজুররা

খ। ভাড়াটে মজুরানিরা

গ। ভাড়াটে কর্মচারীরা

ঘ। ভাড়াটে শ্রমিকরা

১২। "মোট কথা, ইলিয়াসের তখন খুব" —কী ?

ক। হাতযশ

খ। অহংকার

গ। অর্থসম্পদ

ঘ। বোলবোলাও

১৩। কুমিস তৈরি করা হয়—

ক। ঘোড়ার দুধ দিয়ে

খ। মোষের দুধ দিয়ে

গ। গোরুর দুধ দিয়ে

ঘ। ভেড়ার দুধ দিয়ে

১৪। অভাবহীন ভাগ্যবান ইলিয়াসের তো—

ক। আর অর্থের দরকার নেই

খ। আর পশুপালনের দরকার নেই

গ। মরবারই দরকার নেই

ঘ। প্রভাব-প্রতিপত্তির দরকার নেই

১৫। "ইলিয়াসের তখন বোলবোলাও"-'বোলবোলাও' -এর অর্থ—

ক। হাতযশ

খ‌ প্রতিপত্তি

গ। অর্থসম্পদ

ঘ। অহংকার

১৬। ইলিয়াসের বোলবোলাও দেখে আশেপাশের লোকেরা তাকে —

ক। সম্মান করে

খ। খাতির করে

গ। মর্যাদা দেয়

ঘ। ঈর্ষা করে

১৭ "ওর তো মরবারই দরকার নেই।"-আশেপাশের সবার বলা এই কথাটি —

ক। দয়া থেকে বলা

খ। ভালোবাসা থেকে বলা

গ। ঈর্যা থেকে বলা

ঘ। সমাদর ও খাতির করে বলা

১৮। অতিথিরা তার সঙ্গে দেখা করতে আসে—

ক। দূরের থেকে

খ। দূর দূরান্তর থেকে

গ। হাজার মাইল দূর থেকে

ঘ। দেশ-বিদেশ থেকে

১৯। ইলিয়াস অতিথিদের সেবা করে-

ক। খাদ্য-পানীয় দিয়ে

খ। ঠান্ডা শরবত আর মাংস দিয়ে

গ। ভোজ্য পানীয় দিয়ে

ঘ। সব কিছু দিয়ে

২০। অতিথিদের সংখ্যা বেশি হলে ইলিয়াস—

ক। পাঁচটি ভেড়া মারে

খ। সাতটি ভেড়া মারে

গ। তিনটি ভেড়া মারে

ঘ। ঘোটকী মারে

২১। ইলিয়াসের ছেলেমেয়ের সংখ্যা—

ক। দুই জন 

খ। তিন জন 

গ। চার জন 

ঘ। একজন

২২। ইলিয়াসের সন্তানের সংখ্যা—

ক। দুই মেয়ে, এক ছেলে

খ। দুই ছেলে, দুই মেয়ে

গ। এক মেয়ে, তিন ছেলে

ঘ। দুই ছেলে, এক মেয়ে

২৩। গরিব ইলিয়াসের সঙ্গে কাজ করে—

ক। মেয়েরা

খ। স্ত্রী ও মেয়ে

গ। ছেলেরা

ঘ। কেবল ভাড়াটে মজুররা

২৪। বড়োলোক হওয়ার পর ছেলেরা—

ক। অলস হল

খ। অকর্মণ্য হল

গ। আরামপ্রিয় হল

ঘ। আয়েসি 


ধন্যবাদ 


আরো পড়ুন —



খেয়া | Kheya | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | নবম শ্রেণির সাহিত্য সঞ্চয়ণ

June 24, 2022 0


খেয়া 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


‘খেয়া’ কবিতাটি থেকে SLST,Bengali পরীক্ষার জন্য সম্ভাব্য প্রশ্নোত্তরঃ

১. কোন্ কাব্যগ্রন্থ থেকে 'খেয়া কবিতাটি গৃহীত ?

উঃ— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দ্বিতীয় পর্বের কাব্য 'চৈতালি' থেকে পাঠ্য ‘খেয়া' কবিতাটি নেওয়া হয়েছে। এটির প্রকাশকাল ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দ।

২. ‘খেয়া' শব্দের আভিধানিক অর্থ কী ?

উঃ—'খেয়া' শব্দটির আভিধানিক অর্থ হল 'নদী পারাপারের নৌকা’ অথবা ‘নৌকা বা অন্য জলযানের দ্বারা নদী বা খাল পারাপার ।

৩. ‘খেয়া’ কোন জাতীয় শব্দ ?

উঃ— ‘খেয়া’ একটি বিশেষ্যপদ; শব্দভাণ্ডারে দেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত এটি।

৪. ‘খেয়া' কবিতায় কটি পঙতি আছে?

উঃ— চতুর্দশ পক্তির সমন্বয়ে নির্মিত ‘খেয়া’ কবিতায় দুটি স্পষ্টভাগ আছে। প্রথমটি আট পঙতি, দ্বিতীয়টি ছয় পঙতির।

৫. খেয়ায় করে যাত্রীরা কোথায় যায় ?

উঃ— ‘খেয়া' কবিতার যাত্রীরা খেয়া করে নদী পারাপার করে। তারা কেউ নিজেদের ঘর থেকে নৌকায় আসে, আবার কেউ আপন ঘরে ফিরে যায়।

৬. ‘জানাশোনা' শব্দের মাধ্যমে কী বলা হয়েছে?

উঃ— নদীর দুই তীরে অবস্থিত গ্রাম দুটি যে গভীর সম্বন্ধের বন্ধনে বাঁধা, সে সম্পর্ক বহুকালের। তা বোঝাতে কবি ‘জানাশোনা’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।

৭. কবিতায় বর্ণিত নদীতটে কী আছে ?

উঃ— কবিতায় বর্ণিত নদীর দুই তীরে বহুকালের চেনাজানা দুটি গ্রাম বিরাজ করছে।

৮. দুই গ্রামে কারা আনাগোনা করে ?

উঃ— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া' কবিতায় বর্ণিত নদী তীরবর্তী নাম না জানা দুটি গ্রামের মধ্যবর্তী নদীতে ‘খেয়া' সকাল থেকে সন্ধে নিরন্তর আনাগোনা করে দুই পারের মানুষদের নিয়ে।

৯. গ্রাম দুটির সম্পর্ক কীরূপ ?

উঃ— গভীর পরিচয়ের বন্ধনে বাঁধা গ্রাম দুটি একই সূত্রে গাঁথা, সেখানে সকাল-সন্ধ্যা একই সময়ে 'আনাগোনা' করে।

১০. পৃথিবীতে কখন সর্বনাশ নেমে আসে ?

উঃ— হিংসায় উন্মত্ত হয়ে, ক্রোধে অন্ধ হয়ে, প্রলোভনে মত্ত হয়ে দিগ্বিদিক শূন্য মানুষ একে অপরের রক্তপাতে ভয়ংকর সর্বনাশ ডেকে আনে।

১১. পৃথিবীতে কবি কী ঘটতে দেখেছেন ?

উঃ— দৃষ্টি সুদূরে প্রসারিত করে মনশ্চক্ষে কবি পৃথিবীতে ঘটতে দেখেছেন যুগে যুগে কালে কালে বহু দ্বন্দ্ব-সংঘাত, সর্বনাশের ঘটনাধারা।

১২. কোন্ ইতিহাসের কথা কবি কবিতায় বলতে চেয়েছেন?

উঃ— হিংসা-দ্বন্দ্ব-রাগ-রক্তে ভেজা ইতিহাসকে ‘খেয়া’ কবিতায় কবি মানবতার পরিপন্থী বলে বিবেচনা করেছেন।

১৩. কী নিয়ে গড়ে উঠেছে নতুন নতুন ইতিহাস ?

উঃ—দেশে দেশে দ্বন্দ্ব, সোনার মুকুটের লড়াই, বহু মানুষের সর্বনাশের বিনিময়ে রক্তাক্ত ইতিহাসের নতুন নতুন অধ্যায় গড়ে উঠেছে।

১৪। রক্তপ্রবাহে কবি কী দেখেছেন ?

উঃ— ফেনিয়ে ওঠা রক্তপ্রবাহে কবি হিংসায় উন্মত্ত রাজশক্তির রক্তচক্ষুকে খুঁজে পেয়েছেন।

১৫. 'সোনার মুকুট' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন? 

উঃ- বহু রক্ত-বেদনা আর মূল্যবান জীবনের বিনিময়ে রাজশক্তির সাফল্যকে কবি 'সোনার মুকুট' বলে বুঝিয়েছেন।

১৬. ‘ফুটে আর টুটে' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন ?

উঃ— সুদূর অতীতে দৃষ্টি প্রসারিত করে কবি দেখেছেন রাষ্ট্রনায়কেরা কখনও বিজয়ী হয়েছে, আবার তার অহংকার কিছুকাল পরেই চূর্ণ হয়ে গেছে—জয়পরাজয়ের এই ক্ষণস্থায়িত্বকে বোঝাতে কবি ‘ফুটে আর টুটে' শব্দ দুটি প্রয়োগ করলেন।

 ১৭. সভ্যতার 'তৃষ্ণা ক্ষুধা' কী ?

উঃ— সভ্যতার তৃয়া ক্ষুধা' বলতে কবি তথাকথিত বিত্তশালী মানুষের লোভ, ভোগ, বস্তুগত সম্পদের প্রাণহীন সংগ্রহকে বুঝিয়েছেন। 

১৮. কবি 'ক্ষুধা' কথাটি কেন ব্যবহার করেছেন?

উঃ— কবি সভ্যতার বিত্তশালী মানুষের অপরিমেয় লোভের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে তাদের 'লোভ'কে ক্ষুধার সঙ্গে তুলনা করেছেন।

১৯. হলাহল' শব্দের অর্থ কী ?

উঃ— ‘হলাহল' শব্দের আভিধানিক অর্থ হল দেবাসুর কর্তৃক সমুদ্র মন্থনে উত্থিত তীব্র বিষ, কালকূট।

২০. হলাহল কোথা থেকে ওঠে?

উঃ— দেবাসুর কর্তৃক সমুদ্রমন্থনে উত্থিত বিষ হল হলাহল, কবি কবিতায় 'হলাহল' বলতে মানুষের হিংসা-দ্বেষকে বুঝিয়েছেন। ‘হলাহল' হল এ সভ্যতার এক নেতিবাচক দান।

২১. সুধা কী ?

উঃ— পৌরাণিক অনুষঙ্গে প্রাপ্ত ‘সুধা' শব্দের অর্থ হল অমৃত, যা পান করে দেবকুল অমরত্ব লাভ করে ছিল।

 ২২. সুধা আসে কোথা থেকে ?

উঃ— অমৃতলোক থেকে আসে সুধা, যা পান করে দেবতারা অমরত্ব লাভ করেছেন। শত বাধার মধ্যেও মানুষ যে প্রেরণায় বেঁচে আছে তা সুধাসম, তা সভ্যতারই দান।

২৩. হলাহল, সুধার উল্লেখ কবি কেন করলেন ?

উঃ— মানবসভ্যতার ধ্বংস আর সৃষ্টিকে, পতন আর উত্থানকে বোঝাতে কবি প্রশ্নোক্ত শব্দ দুটি ব্যবহার করেছেন। কবি যেমন মানবতার স্খলন দেখেছেন, তেমনই তার বিজয়ী হয়ে ওঠার প্রেরণায় আপ্লুতও হয়েছেন বারবার।

২৪. ‘কেবা জানে নাম'—কাদের নামের কথা বলা হয়েছে ?

 উঃ— নদীর দুইতটে বহুকালের চেনাজানা মুখোমুখি অবস্থিত দুটি গ্রামের কথা ‘খেয়া' কবিতায় বলা হয়েছে।

২৫. কাদের নাম অজানা থেকে যায় ?

উঃ— সভ্যতার স্বাভাবিক গতি নিয়ে এগিয়ে চলা গ্রাম দুটি বহির্জগতের কাছে অজানা থেকে যায়। গ্রাম দুখানি বিরাজ করে শান্ত নদীর দুই তীরে। এখানে উন্মাদনার ঢেউ আসে না।

২৬. 'দোঁহা-পানে বলতে কী বোঝানো হয়েছে? 

উঃ— নদীতীরের গ্রাম দুখানি যুগযুগান্তর ধরে পরস্পরের দিকে মমতাময়ী দৃষ্টিপাতে চেয়ে আছে। এখানে 'দোঁহা-পানে' বলতে তাই বোঝানো হয়েছে।

 ২৭. গ্রাম দুটি কীভাবে অবস্থান করছে ?

উঃ— বহুযুগের সাক্ষী হয়ে গ্রাম দুটি নদীর দুই বিপরীত তীরে বিরাজ করছে। সমৃদ্ধ জনপদের অস্তিত্বকে মানবসভ্যতা গর্বের সঙ্গে বহন করে চলেছে।

২৮. দুটি গ্রাম কেন চেয়ে আছে ?

 উঃ— গভীর সম্পর্কের বন্ধনে বাঁধা বলে গ্রাম দুটি অপলক দৃষ্টিতে একে অপরের দিকে চেয়ে আছে। যেমন জীবন চেয়ে থাকে মরণের দিকে কিংবা মরণ জীবনের দিকে।

২৯. গ্রাম দুটির পরস্পরের দিকে চেয়ে থাকার অর্থ কী ? 

উঃ— মানবতার প্রকৃত ধারক তথা আধার গ্রাম দুটি যেন উন্মত্ত সভ্যতা থেকে বহু দূরে নীরবে বিরাজ করছে, মানবসভ্যতার মূল সুরটিকে তারা বহন করে চলেছে।

৩০. কবিতায় উল্লিখিত খেয়া কতদিন চলে ?

 উঃ- কবিতায় উল্লিখিত খেয়া নৌকার পারাপার চলে চিরদিন, নদীর এপার থেকে ওপারে সে সেতুবন্ধনের কাজ করে যায় চিরকাল।

৩১. খেয়ার চলন কীরূপ ?

উঃ— দুই গ্রাম সংলগ্ন দুই তীরের মাঝে খেয়া পারাপার করে। জীবনমৃত্যুর এপার-ওপারে এভাবেই খেয়া নিয়ে যায়।

৩২. যাত্রীরা কীসের জন্য খেয়ায় ওঠে ?

উঃ— নদীর দুই তীরে অবস্থিত গ্রাম দুটির মানুষ কেউ ঘরে ফেরে, কেউ বা আপন ঘর থেকে বেরিয়ে অন্যত্র পাড়ি দেয়।

৩৩. ঘরে কারা ফেরে ?

উঃ— নদীর দুই তীরের গ্রাম দুখানি থেকে যাত্রীরা আসে নদী পারাপারের জন্য। খেয়া নৌকায় তাদের কেউ কেউ আপন ঘরে ফেরে।

৩৪. অন্য যাত্রীরা কী করে ?

উঃ— খেয়া নৌকার অন্য যাত্রীরা আপন ঘর থেকে বেরিয়ে অন্যত্র পাড়ি দেয়। তাদের যাত্রা ‘ঘর হতে বাহিরে', অজানা গন্তব্যের উদ্দেশে।

৩৫. ‘খেয়া' কবিতার শেষ পঙ্ক্তিতে কবি কী বলেছেন ?

উঃ— 'খেয়া' কবিতার শেষ পঙ্ক্তিতে কবি বিষণ্ণ অথচ আশান্বিত। মানবের নিত্য ও নিশ্চিত জীবনপ্রবাহ ধারাকে তিনি নদীস্রোতের সঙ্গে তুলনা করেছেন।



আরো পরুন —

Coming Soon 



Monday

নবম শ্রেণির সাহিত্য সঞ্চয়ন রচনার উৎস | সাহিত্য সঞ্চয়ন (নবম শ্রেণি) | বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস

June 20, 2022 0

পাঠ্যপুস্তকঃ রচনার উৎস

সাহিত্য সঞ্চয়ন (নবম শ্রেণি)


১. ‘কলিঙ্গ দেশে ঝড়-বৃষ্টি’—মুকুন্দ চক্রবর্তী—‘চন্ডীমঙ্গল (আখেটিক খন্ড)’।

২. ‘ধীবর বৃত্তান্ত’—কালিদাস—‘অভিজ্ঞানম্ শকুন্তলম্’।

৩. ‘সাত ভাই চম্পা’—বিষ্ণু দে—‘সাত ভাই চম্পা’।

৪. ‘ইলিয়াস’—লিও তলস্তয়—‘টোয়েন্টি থ্রি টেলস’।

৫. ‘দাম’—নারায়ন গঙ্গোপাধ্যায়—‘একজিবিশন’।

৬. ‘এই জীবন’—সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়—‘দেখা হল ভালবাসা বেদনায়’।

৮. ‘নূতন জীবন’—হিরন্ময়ী দেবী —(______?)

৯. ‘ঝোড়ো সাধু’—মহাশ্বেতা দেবী—‘ছোটদের গল্প সঙ্কলন’ (কিন্তু মূলগ্রন্থ = ?) 

১০. ‘আকাশে সাতটি তারা’—জীবনানন্দ দাশ—‘রূপসী বাংলা’। 

১১. ‘বর্ষা’—প্রমথ চৌধুরী—‘বিচিত্র’।

১২. ‘ছুটি’—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর—‘গল্পগুচ্ছ’।

১৩. ‘চন্দ্রনাথ’—তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়—‘আগুন’।

১৪. ‘নব নব সৃষ্টি’—সৈয়দ মুজতবা আলী—‘চতুরঙ্গ’ ।

১৫. ‘পথে প্রবাসে’—অন্নদাশঙ্কর রায়—‘পথে প্রবাসে’

১৬. ‘ঘর’—অমিয় চক্রবর্তী—‘খসড়া’।

১৭. ‘হিমালয় দর্শন’—বেগম রোকেয়—‘কূপমণ্ডুকের হিমালয় দর্শন’

১৮. ‘নোঙর’—অজিত দত্ত—‘শাদা মেঘ কালো পাহাড়’।

১৯. ‘পালামৌ’—সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়—‘পালামৌ’।

২০. ‘খেয়া’— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর—‘চৈতালী’।

২১. ‘আবহমান’—নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী—‘অন্ধকার বারান্দা’।

২২. ‘উপোষ’—বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়—‘দুষ্টু লক্ষ্মীদের গল্প’।

২৩. ‘ভাঙার গান’— কাজী নজরুল ইসলা—‘ভাঙার গান’।

২৪. ‘চিঠি’—স্বামী বিবেকানন্দ—‘বাণী ও রচনা’।

২৫. ‘আমরা’—সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত— ‘কুহু ও কেকা’।

২৬. ‘নিরুদ্দেশ’—প্রেমেন্দ্র মিত্র —‘সামনে চড়াই’।

২৭. ‘ব্যথার বাঁশি’—জসীমউদ্দীন—‘নকশি কাঁথার মাঠ’।

২৮. ‘জন্মভূমি আজ’—বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ‘মুন্ডহীন ধড়গুলি আহ্লাদে চিৎকার করে’।

২৯. ‘রাধারাণী’—বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়—‘রাধারাণী’।

৩০. ‘এই তার পরিচয়’— কবিতা সিংহ — (______?)



................................................🌸...................................................
 যদি কোনও সুযোগে  আমার পোস্টে ত্রুটি থাকে  তবে মন্তব্যে আমাকে জানাতে দ্বিধা করবেন না।